বিস্তারিত পাঠ্যসূচি
বিষয়, টপিক ও নম্বর বণ্টন
ছোট পর্দায় সম্পূর্ণ টেবিল দেখতে ডানে-বামে স্ক্রল করুন।
| ক্রম | বিষয় | পাঠ্যসূচি / টপিক | নম্বর | প্রশ্ন |
|---|---|---|---|---|
| ১ | বাংলা ভাষা ও সাহিত্য | — | ৩৫ | — |
| ২ | ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য | — | ৩৫ | — |
| ৩ | বাংলাদেশ বিষয়াবলি | — | ৩০ | — |
| ৪ | আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি | — | ২০ | — |
| ৫ | ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা | — | ১০ | — |
| ৬ | সাধারণ বিজ্ঞান | — | ১৫ | — |
| ৭ | কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি | — | ১৫ | — |
| ৮ | গাণিতিক যুক্তি | — | ১৫ | — |
| ৯ | মানসিক দক্ষতা | — | ১৫ | — |
| ১০ | নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সু-শাসন | — | ১০ | — |
| টেবিল অনুযায়ী মোট | ২০০ | — | ||
গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
ধরন: MCQ (বহুনির্বাচনি) নেগেটিভ মার্কিং: প্রতি ভুল উত্তরে ০.৫০ পরীক্ষার ধাপ ও পর্যায়: • প্রিলিমিনারি — ২০০ নম্বরের MCQ বাছাই পরীক্ষা। • লিখিত — সাধারণ ক্যাডারে ৯০০ এবং কারিগরি/পেশাগত ক্যাডারে ১১০০ নম্বর। • মৌখিক — ২০০ নম্বরের ভাইভা। মানবণ্টন ও নেগেটিভ মার্কিং প্রতিটি বিসিএসের অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নিশ্চিত করে নিন।
প্রস্তুতির পরিকল্পনা
বেশি নম্বরের বিষয়গুলো আগে ধরুন
বাংলা ও ইংরেজি মিলিয়ে ৭০ নম্বর, বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি মিলিয়ে ৫০। এই চার বিষয়ে ভিত্তি মজবুত হলে কাট-অফের বড় অংশ নিশ্চিত হয়। বিষয়ভিত্তিক অনুশীলনে একটি বিষয় ধরে টানা কাজ করুন।
নেগেটিভ মার্কিং হিসাব করে উত্তর দিন
সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। দুটি অপশন নিশ্চিতভাবে বাদ দিতে পারলে অনুমান লাভজনক হতে পারে; একেবারে অজানা প্রশ্ন ছেড়ে দেওয়াই নিরাপদ। মডেল টেস্টে দুই ধরনের কৌশল পরখ করে নিজের হিসাবটি বের করুন।
সময়বদ্ধ পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা দিন
২০০ প্রশ্ন ১২০ মিনিটে—প্রতি প্রশ্নে গড়ে ৩৬ সেকেন্ড। ঘড়ি ধরে পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা না দিলে এই গতি তৈরি হয় না। প্রতিটি পরীক্ষার পর কোন বিষয়ে সময় বেশি গেছে তা ফলাফলে দেখে নিন।
পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্ন থেকে ধরন বুঝুন
আগের বিসিএসগুলোর প্রশ্ন সমাধান করলে কোন টপিক বারবার আসে তা স্পষ্ট হয়। ভুল উত্তরগুলোর ব্যাখ্যা পড়ে নোট রাখুন—একই ধরনের প্রশ্নে আর ভুল হবে না।